মেন্টর ইফতি ভাই গ্যাট-পিএসএম এর ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে বলেছেন একটি ভিডিওর মাধ্যমে। কিন্তু সমস্যা হলো – আমি কখনো কোনদিন কোন ভিডিও তৈরী করিনি। এ কাজ আমাকে দিয়ে সম্ভব না।  এক সময় টুকটাক লেখালেখি করতাম। তাই ভাবলাম, মেন্টরের নির্দেশ বলে কথা, দেখি কিছু একটা লেখা যায় কিনা। জানিনা কতটুকু কী পারব।  প্যারেন্ট ওয়ালে ছাপানোর যোগ্য হয়ে উঠবে কি না।  শুনেছি প্রয়াত প্রেসিডেন্ট হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ অন্যকে দিয়ে নিজের নামে কবিতা লিখাতেন। আমার সেরকম কেউ থাকলে ভাল হতো।

গ্রেটলিফ নামক প্রতিষ্ঠানটিকে আমি অনেক ভালবাসি। আমার নিজেরও আরিফ টিউটর হোম নামে ছোট একটি প্রতিষ্ঠান আছে। সে প্রতিষ্ঠানের কথা বাদ দিলে গ্রেটলিফ’ই আমার সবচেয়ে প্রিয় প্রতিষ্ঠান। আর এ প্রতিষ্ঠানটির পেছনের কারিগর ইফতি ভাই আমার এই এক  জীবনে দেখা সত্যিকারের একজন ম্যাজিকেল ম্যান। আমার জীবনে যে কয়জন ব্যক্তি সবচেয়ে বেশি প্রভাব তৈরী করতে পেরেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন প্রিয় মেন্টর ইফতি ভাই। গত ১ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমার প্রতি দিনের প্রতিটি কর্মে তিনি উৎপ্রোতভাবে মিশে থাকেন। মনের অজান্তেই মিশে থাকেন। উনার আহবান উপেক্ষা করার সাধ্য আমার নেই। আমি তা করতেও চাই না।

সম্ভবত ডিসেম্বরের ২ তারিখের বিকেল ৪টার দিকে লাঞ্চ করছিলাম আমার অফিসে বসে। এমন সময় মেন্টরের নাম্বারটা ভেসে উঠলো মোবাইলে। কলিগকে বললাম- সর্বনাশ! মেন্টর যদি জানতে পারেন এত দেরীতে লাঞ্চ করছি তাইলে খবর আছে ! 

আপনাদের চুপি চুপি একটা কথা বলি, ৪টা /৫টার আগে খুব কম দিনই লাঞ্চ করার সুযোগ হয় আমার। শুধু শুক্র শনিবারের কথা একটু আলাদা। ওইসময় আমার অফ ডে কিনা তাই। 

না, মেন্টর সেরকম কিছু জিজ্ঞেস করে নাই। তিনি বললেন, ৮ তারিখের কথা স্মরণ আছে তো?

বললাম জি মেন্টর। তিনি বললেন, এবার কিছু সারপ্রাইস আছে। প্রোগ্রাম শুরু হবে গত বারের তুলনায় এক ঘন্টা আগে।  কাজেই জাস্ট ২টায় চলে আসবেন। এবার কিন্তু শাহরিয়ারের মা’কেও নিয়ে আসবেন।

সম্ভবত ডিসেম্বরের ২ তারিখের বিকেল ৪টার দিকে লাঞ্চ করছিলাম আমার অফিসে বসে। এমন সময় মেন্টরের নাম্বারটা ভেসে উঠলো মোবাইলে। কলিগকে বললাম- সর্বনাশ! মেন্টর যদি জানতে পারেন এত দেরীতে লাঞ্চ করছি তাইলে খবর আছে ! 

আপনাদের চুপি চুপি একটা কথা বলি, ৪টা /৫টার আগে খুব কম দিনই লাঞ্চ করার সুযোগ হয় আমার। শুধু শুক্র শনিবারের কথা একটু আলাদা। ওইসময় আমার অফ ডে কিনা তাই। 

না, মেন্টর সেরকম কিছু জিজ্ঞেস করে নাই। তিনি বললেন, ৮ তারিখের কথা স্মরণ আছে তো?

বললাম জি মেন্টর। তিনি বললেন, এবার কিছু সারপ্রাইস আছে। প্রোগ্রাম শুরু হবে গত বারের তুলনায় এক ঘন্টা আগে।  কাজেই জাস্ট ২টায় চলে আসবেন। এবার কিন্তু শাহরিয়ারের মা’কেও নিয়ে আসবেন।

আমি দুটোর দিকেই হাজির হলাম গ্রেটলিফ অফিসে।  সাধারণত আমি সব সময় ‘জাস্ট টাইম, নো কমপ্লেইন, দলের লোক।  কিন্তু দুর্ভাগ্য বসত আমি গণিতের শিক্ষক হওয়ায় এবং সেদিন বাচ্চাদের প্র্যাকটিকেল পরীক্ষা ছিল বিধায় জাস্ট টাইমে উপস্থিত না হতে পারার একটি ঝুঁকি তৈরী হয়েছিল।  কিন্তু সৌভাগ্যবশত একটু আগে শুরু করে ১টার মধ্যেই তা শেষ করতে পেরেছিলাম। ওহ বলতে ভুলে গিয়েছিলাম , আমি কোচিং বিজনেসের পাশাপাশি , একটি জবও করি।  

অফিসে পৌঁছার পর জানতে পারলাম, আমন্ত্রিত দু-তিন জন প্যারেন্ট তখনও এসে পৌঁছাতে পারেনি।  কিন্তু এটাই উপস্থিত প্যারেন্টদের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধা হয়ে ধরা দিল। যেহেতু তাদের জন্য অপেক্ষা না করে কোন উপায় ছিল না , সে সুযোগে বেশ লম্বা একটা সময়ের জন্য ইফতি ভাইকে পেয়ে গেলাম আমরা।  প্রায় দু ঘন্টার একটি সেশনে আমরা এমন অনেক কিছু জানলাম শিখলাম যা ইতি পূর্বে কোথাও বলেন নি ইফতি ভাই। 

তিনি বলেন গ্যাট-পিএসএম হলো নিউরো ড্রাইভার্স  শিশুদের নিয়ে কাজ করা পৃথিবীর সবচেয়ে স্মার্টেস্ট প্রোগ্রাম। আর নিঃসন্দেহে গ্যাট-পিএসএম এর প্যারেন্টরাই হলো পৃথিবীর সেরা প্যারেন্ট। আর এ সময় উপস্থিত প্যারেন্টরা সকলেই হা সূচক সম্মতি জ্ঞাপন করেন। 

মেন্টর জানতে চান- আপনারা কি বলতে পারবেন গ্যাট-পিএসএম ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে মূল পার্থক্যটা কোথায়?

MIN: GLD00041

নাজনীন সুলতানা বুশরা আপু, সাহেদ খোন্দকার ভাই ও আয়াশ বাবুকে নিয়ে গ্যাট-পিএসএম এর ৪১তম পরিবার। মা হিসেবে আয়াশ বাবুর নিউরোডেভেলোপমেন্টাল রেস্পন্সিবিলিটি অনেকটাই নিজের কাঁধে তুলেনিয়েছেন বুশরা আপু। তবে সাহেদ ভাইও বেশ দায়িত্বশীল বাবা। ‘প্যারেন্ট স্টোরি ওয়াল’ এর আজকের টেক্সট কন্টেন্ট ইন্টারভিও এ পরিবারকে নিয়েই…

আপনার সন্তান সম্পর্কে কিছু বলুন—বয়স, চ্যালেঞ্জগুলো কী ছিল?

আমার ছেলের নাম আয়াশ। ওর বয়স সাড়ে ৪ বছর। অনেকগুলো সমস্যা ছিল ওর। যেমন-

  • Speech delay
  • No eye contact
  • Sensory issues

ভয়, চিন্তা, অসহায়ত্ব, কোথায় যাব বুঝতে পারছিলাম না । 

গিয়েছিলাম, কিন্তু খুব বেশি পরিবর্তন দেখতে পাইনি । তবে ডাক্তার ওষুধ সাজেস্ট করেছিলেন, কিন্তু নিতে চাইনি।

দীর্ঘদিন থেরাপি দেয়ার পরও মূলত তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি, আমার ছেলের cooperation ছিল না, consistency ছিল না।

খুব basic সমস্যা— যেমন sitting না থাকা, eye contact ছিল না, কথা না বলা, tantrum… এগুলো।

ফেসবুকে পেয়ে এক Friend গ্রেটলিফ অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের লিংক দিয়েছিল। মজার ব্যাপার হলো- সে কিন্তু বিশেষ চাইল্ডের প্যারেন্ট না।

অনলাইনে হবে কীভাবে? সত্যিই কি কাজ করবে? আমরা কি পারবো?

থেরাপি সেন্টার, স্পিচ থেরাপি, ABA, doctor consultation… কিন্তু রেজাল্ট সে অর্থে তেমন কিছুই আসেনি।

কিছু একটা জরুরি চেঞ্জ আনা দরকার। অন্তত কিছু একটা করা দরকার, কিন্তু কী সেটা বুঝতে পারছিলাম না। শুধু মনে হচ্ছিল, সময় নষ্ট করা যাবে না।

বুঝেছিলাম—এটা parent-led scientifically proven program।
থেরাপির পিছনে দৌড়ানোর চাইতে নিজেরা করলে রেজাল্ট বেশি আসার কথা।

Friendly, clear explanation, confidence পেয়েছিলাম।

শুরুতে একটু কঠিন ছিল, কিন্তু দিনে দিনে সহজ লাগতে শুরু করে। স্পষ্ট গাইডলাইন পেয়ে relief পেয়েছিলাম।

কিছুটা চ্যালেঞ্জ ছিল, কিন্তু ১–২ সপ্তাহেই অভ্যস্ত হয়ে যায়।

৫–১০ দিনের মধ্যে পুরো পরিবার adjust হয়ে গিয়েছিলাম।

সহজ, ছোট ছোট স্টেপ, আয়াশ’ও enjoy করেছে।

২ সপ্তাহের মধ্যে। আয়াশের ঘুমের সমস্যা ছিল, রাতে ঘুমাতে চাইত না। কোন কোন সময় প্রায় সারারাত জেগে থাকতো। আবার ৯-১০টার দিকে ঘুমালেও মাঝ রাতে জেগে উঠত। সেটা খুব দ্রুতই ঠিক হয়ে গিয়েছিল।

Eye contact

হ্যাঁ, আগের চেয়ে অনেক ভালো। এখন ২–৫ সেকেন্ড steady eye contact করতে পারে।

হ্যাঁ, নতুন শব্দ, বেশি vocalization, নাম ধরে ডাকলে তাকানো শুরু করেছে।

হ্যাঁ। Noise, Touch, এবং Movement sensitivity আগের তুলনায় কমেছে।

হ্যাঁ। আগে দিনে ৩–৪ বার হতো, এখন manageable।

হ্যাঁ, ঘুম নিয়মিত হয়েছে, খাওয়ার ইচ্ছা বেড়েছে।

আত্মবিশ্বাস বেড়েছে, বুঝে গেছি কীভাবে handle করতে হয়, আগে ভুল করতাম—এখন বুঝে করি।

হ্যাঁ, কারণ এখন জানি—কী করলে improvement আসে।

দারুণ—prompt support, weekly monitoring খুব helpful।

হ্যাঁ, স্টেপ-বাই-স্টেপ, কোনো confusion থাকে না।

সেসব মনে না করাই ভাল! হাইপার- অযথাই কান্না করছে- সারা রাত ঘুমাচ্ছে না- কাউকে ঘুমাতেও দিচ্ছে না…জাঙ্কফুডে আসক্তি, অথচ হেলথি খাবার খেতে চাচ্ছে না। এ যেন এক অন্তহীন যুদ্ধ। জানিনা এর শেষ কোথায় ? কিছু একটা খুজছিলাম যা স্রেফ পেশাদারিত্ব নয় এর বাইরেও কিছুটা মানবিক ও ভরসার আশ্রয়স্থল। গ্যাট-পিএসএম’কে ধন্যবাদ। আমি এখানে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি কিছু পেয়েছি।

  • Eye contact
  • Sitting
  • Speech
  • Hyperactivity কমা
  • Understanding উন্নত

বিলম্ব করলে ক্ষতি আপনার বাচ্চারই হবে। আগে শুরু করলে দ্রুত ফল পাবেন। আর ভাল কথা- রেজিস্ট্রেশনের সময় রেফারেল হিসেবে আমার এমআইএন নাম্বারটা (MIN: GLD00041) দিতে পারেন।

অবশ্যই। কারণ এটা natural, scientific, এবং যেকোনো parent করতে পারে।

আশাবাদী, confident, এবং উন্নতির উপর বিশ্বাস।

MIN: SLV00017

নাবীলা শাহিন আপু ও ফিরোজ বেলাল ভাইয়ের এক ছেলে এক মেয়ে । ছেলের বয়স ৬ প্লাস এবং মেয়ের প্রায় ৩ বছর। অথচ বাস্তবে মনে হয় উল্টোটা। মেয়ে নওরিন মণিকে দিব্বি লালন পালন করা যাচ্ছিল কোন প্রকার কম্প্লিসিটি ছাড়াই। কিন্তু যত যুদ্ধ ছেলে ফাইয়াজকে নিয়ে। অনেক চেষ্টা তদবির শেষে গ্রেটলিফে নোঙ্গর ফেলেছেন এক সমুদ্র আশা নিয়ে। তারাই আমাদের গ্যাট-পিএসএম এর ১৭তম পরিবার। আজ ‘প্যারেন্ট স্টোরি ওয়াল’এ জানব এ পরিবারের গল্প।

আপনার ফ্যামিলির রুটিন কেমন ছিল সন্তানের চ্যালেঞ্জগুলো আসার আগে?

সবকিছু স্বাভাবিক ছিল, আমরা বুঝতেই পারিনি developmental delay হতে পারে। ধীরে ধীরে আচরণগত বিষয়গুলো চোখে পড়তে থাকে—যেমন কম খেলা, একা থাকতে চাওয়া, চোখে চোখ না রাখা ইত্যাদি।

নাম ধরে ডাকলে না তাকানো, কথা না বলা, অনুভূতিতে সাড়া না দেওয়া, ঘুরে ঘুরে চলা, শব্দ সেন্সিটিভিটি , বা সব খেলনা একই লাইনে সাজানো।

অনেকে বলতেন “সময় হলে ঠিক হয়ে যাবে”, “লেট স্পিকার”—এতে বিভ্রান্তি ও দেরি হয়েছে।

বিশেষ করে যখন প্রতিবেশী ও নিকটাত্মীয়রা বাঁকা চোখে তাকাতো বা উল্টাপাল্টা মন্তব্য করতো তখন মেনে নিতে কষ্ট হতো। তারা প্রায়শই বলতো- তোমার ছেলেতো আস্তে আস্তে পাগল হয়ে যাচ্ছে। ভাল ডাক্তার দেখাচ্ছনা কেন?

হ্যাঁ—মনে হতো আমি একজন ব্যর্থ মা। ছেলেকে যথেষ্ট সাহায্য করতে পারছি না।

ডাক্তার, থেরাপি সেন্টার …সম্ভাব্য সব জায়গাতেই কম বেশি ট্রাই করেছি। কিন্তু হতাশা ছাড়া তেমন কিছু পাই নি। হয়ত সেটাও আমার নিজেরই ব্যর্থতা।

নিরাশ, বিভ্রান্ত—কি করব বুঝতে পারছিলাম না। সন্তানের ফিউচার নিয়ে খুব দুশ্চিন্তাগ্রস্থ ছিলাম।

“Parent-led program”, “home-based”, “natural method”—এগুলোই নতুন ও বিশ্বাসযোগ্য লেগেছে।

সত্যি বলতে তেমন কিছু না। আমি কিছুদিন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করেছিলাম। সে সুবাধে অনলাইনের অথেন্টিসিটি সম্পর্কে ভালোই আন্দাজ করতে পারি। গ্রেটলিফ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করার পর কখনোই মনে হয়নি – এ প্রতিষ্ঠানটির উপর আস্থা রাখা উচিত হবে না।

শুরুতে কিছুটা দ্বিধাতো ছিলই। সিস্টেম কাজ করবে তো? টাকা worth it হবে তো? সিস্টেম যতই সাইন্টিফিক হোক, অনলাইনে সত্যিই কি সম্ভব?

শেষে logic + hope → সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

Clear plan, step-by-step routine, Do/Don’t list, ডায়েট চার্ট, activities গাইডলাইন —সবকিছু প্রস্তুত।

Very practical, child-friendly, daily life–এ ব্যবহার করা সহজ।

সবাই খুব পজেটিভলি নিয়েছিল এবং সবার সাপোর্ট পেয়েছিলাম।

বিশেষ করে একটি ঘটনা আমাকে তুমুলভাবে নাড়া দিয়েছিল – সম্ভবত শুরু করার ৮/১০ দিনের মাথায় আমার ছেলে প্রথমবারের মতো আমার চোখের দিকে তাকিয়ে হাতের উপর ওর ছোট দুটি হাত রেখেছিল। অনেকেই হয়ত বলবেন এ আবার এমন কি ! কিন্তু শুধু আমিই জানি এ ঘটনাটা আমার ছেলের স্পষ্ট ইম্প্রুভমেন্টের ইঙ্গিত বহন করছিল। ঘটনাটা মেন্টর ইফতি ভাইকে তাৎক্ষণিক শেয়ার করেছিলাম।

  • Eye contact
  • Speech attempts
  • Hyperactivity reduction
  • Understanding improvement
  • Social response

১) আগে → আই কন্টাক্ট ছিল না, নাম ধরে ডাকলে ফিরে তাকাত না, জাংক ফুডে আসক্তি ছিল, শরীরে পোশাক রাখতে চাইত না, রাতে ঘুমাতে চাইত না …
২) এখন → সবকিছুতেই উন্নতি হয়েছে। হেলদি খাবার খাচ্ছে, সময়মতো ঘুমাচ্ছে , ডাকলে রেস্পন্স করছে

হ্যাঁ—বাইরে গেলে আগের মতো অনাকাঙ্খিত কিছু করছে না, relatives-এর সাথে মিশছে, কলিং বেল বাজলে দরজা খুলে দিচ্ছে , খেলনা ভাগাভাগি করে খেলছে

অনেক কিছু, বিশেষ করে child psychology, sensory needs, brain development, structured parenting।

Daily checklist, activities guide, consistent routine, support group।

Screen time, food habits, instruction method, bonding।

অনেক ভালো। বিশেষ করে – Quick reply, weekly feedback, motivation এর কথা আলাদা করে বলা যায়।

হ্যাঁ—কারণ থেরাপিতে মাসে ২০–৩০ হাজার করে গেলেও এমন change পাইনি। এটা এককালীন এবং পুরো পরিবারকেই ইতিবাচক পরিবর্তনে হেল্প করে যা এ প্রোগ্রামের অন্যতম বিউটি।

হ্যাঁ—lifestyle-based হওয়ায় বাচ্চা এর উপর grow করে।

সময় নষ্ট করবেন না। এখানে হারাবার কিছু নেই। দ্রুত শুরু করে দিন।

সময় নষ্ট করবেন না। এখানে হারাবার কি১০ এর মধ্যে ৮ দিতে চাই। ছু নেই। দ্রুত শুরু করে দিন।

আগে দুশ্চিন্তা ছিল, মানসিক চাপ অনুভব করতাম। আর → এখন hope, confidence, progress দেখছি।

সম্ভবত আমরা এখনও বিভ্রান্ত থাকতাম, improvement কম হত, সময় নষ্ট হত।

Hope, direction, clarity, transformation।

কখনো কখনো হটাৎ আমার চোখে চোখ রেখে নিঃশব্দে তাকিয়ে থাকে, মুচকি হাসে, ওর হাসিমুখটা এত সুন্দর যে আমি খুশিতে কেঁদে ফেলি। আমার মনে হয় ও অনেকটাই পড়তে পারে আমাকে। ওর মা হিসেবে তখন গর্বিত মনে হয়।

MIN: SLV00042

মুন্নী রহমান আপু ও আদনান হোসেন ভাইয়ের ছোট্ট মেয়ে আফরিন—বয়স মাত্র ৪। খুব মিষ্টি, প্রাণবন্ত, কিন্তু একই সঙ্গে অতিরিক্ত সেনসিটিভ। হঠাৎ কান্না, হঠাৎ চুপ হয়ে থাকা—কোনটাই বুঝে উঠতে পারছিলেন না পেরেন্টরা। মুন্নী আপুর ভাষায়—“অনলাইনে শতশত ভিডিও দেখে শুধু দুশ্চিন্তা বেড়েছে। সমাধান পাইনি, বরং ভয় পেয়েছি।” এরপর গ্রেটলিফের একজন পুরনো পেরেন্টের সাজেশনে get-psm এ যুক্ত হওয়া। এখন আফরিনের রুটিন, ডিসিপ্লিন, খাবার—সবকিছুতেই ধীরে ধীরে উন্নতি। মা-বাবা দুজনই বুঝেছেন—শুধু ভিডিও নয়, সঠিক প্ল্যান + মনিটরিংই আসল। আজ ‘প্যারেন্ট স্টোরি ওয়াল’-এ জানব এই মেয়েটার ছোট ছোট উন্নতির গল্প।

আপনার সন্তানের প্রথম যে আচরণগুলো দেখে আপনি ভাবলেন—“এখানে কিছু সমস্যা আছে”—তা কি মনে আছে?

চোখে চোখ রাখত না, ডাকলে সাড়া দিত না, নিজের মতো থাকত, হঠাৎ রেগে যেত — এসব দেখে উদ্বিগ্ন হয়েছিলাম।

খুব স্ট্রেসড, হতাশ, কোথায় যাব বুঝতাম না, অনেক ভয় কাজ করত ভবিষ্যৎ নিয়ে।

বিভিন্ন ডাক্তার, থেরাপিস্ট, সেন্টার—সব জায়গায় গেছি। খরচও হয়েছে কিন্তু ধারাবাহিক বা স্পষ্ট উন্নতি পাইনি।

বাচ্চার উন্নতি ঘরে বসেই; প্যারেন্ট-ড্রিভেন; ওষুধ ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে উন্নতি— এসব শুনে আগ্রহ বেড়েছে।

আসলেই কি অনলাইনে কিছু হবে? আমরাই করতে পারব? বাচ্চা কি ফলো করবে?—এসব প্রশ্নই ছিল।

প্রথম সপ্তাহেই পরিবর্তন দেখা যায়— তখনই বুঝেছিলাম এই প্রোগ্রাম আলাদা।

দৈনন্দিন খেলা-ভিত্তিক কাজ, সেনসরি ব্রেক, রুটিন ফলো করা— সহজ কিন্তু প্রভাবশালী।

ছোট ছোট কাজ, রুটিন, সেনসরি ইনপুট— এগুলো দিয়ে ধীরে ধীরে মনোযোগ বাড়ে।

আগে খুব হাইপার ছিল। এখন অনেক শান্ত, নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

ইমিটেশন গেম, রেসপন্সিভ ইন্টারঅ্যাকশন, ভোকাল প্লে— এগুলো বেশ কাজে দিয়েছে।

আগে খুব অস্থির থাকত, এখন নিয়ন্ত্রণযোগ্য, শান্ত, এবং সামাজিকভাবে আরো যুক্ত হয়।

হাসা, রেসপন্স করা, খেলায় যোগ দেওয়া— এসব দেখে সবাই খুশি হয়।

শান্ত, ইতিবাচক, সবাই এখন আরো সচেতন ও সহযোগী।

ধৈর্য, রেগুলেশন বোঝা, সঠিকভাবে গাইড করা, আচরণের পেছনের কারণ বুঝতে পারা।

প্রথমে কঠিন ছিল, কিন্তু ব্যস্ত রাখার কার্যকর কাজ শিখে নিয়েছি— ফলে স্ক্রিন কমেছে।

রুটিন।

টেকসই উন্নতির পথ— যা আগে কোথাও পাইনি।

আগে ভয় ছিল, এখন আত্মবিশ্বাস। সামনে আরও উন্নতি হবে।

হ্যাঁ— সবসময় গাইড করেছে, ভুলগুলো ঠিক করেছে।

কারণ আমরা নিজেরা রিয়েল রেজাল্ট দেখেছি। এটা কার্যকর, নিরাপদ এবং পরিবারভিত্তিক।

ছোট ছোট উন্নতি দেখলে প্রতিদিন নতুন উদ্দীপনা পেয়েছি।

আগের তুলনায় অনেক বেশি কানেক্টেড, বোঝাপড়া বেড়েছে।

হ্যাঁ— এটা সত্যিকারের লাইফ-চেঞ্জিং প্রোগ্রাম।

হ্যাঁ— এটা সত্যিকারের লাইফ-চেঞ্জিং প্রোগ্রাম।

বাচ্চার আচরণকে “জেদ” ভাবা— আসলে সেটা নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল।

গর্ব হয়, খুশি হই, মনে হয় সব পরিশ্রম সার্থক।

সেন্টারে সপ্তাহে কয়েক ঘণ্টা, কিন্তু এখানে প্রতিদিনের অভ্যাস— তাই উন্নতি দ্রুত।

হ্যাঁ— আমি আরো ধৈর্যশীল, সচেতন এবং পরিকল্পিত হয়েছি।

হ্যাঁ— সবাই এখন পজিটিভ এবং একসঙ্গে কাজ করছে।

নিঃসন্দেহে— কারণ এর ফল জীবনভর থাকবে।

It’s not just a program—it empowers parents.

একদমই না। সবকিছু খুবই ইজি।

I would especially like to give credit to my mentor EFTY Bhai. He sees and explains everything very simply. He is a wonderful person.

Everyone is surprised.

Everyone is surprised.

আরও আগেই GAT-PSM শুরু করতাম।

MIN: SLV00026

তানিয়া আপু ও মেহেদী ভাইয়ের দুই ছেলে। বড়জন পুরোপুরি নিউরো-টিপিক্যাল, কিন্তু ছোটজন ইহসান—৩ বছর বয়স থেকেই বেশ কিছু developmental delay দেখাতে থাকে। বড় ছেলের তুলনায় ছোটজনকে সামলানো ৫ গুণ বেশি কঠিন হয়ে পড়ে। এরপর GAT-PSM এর 26তম পরিবার হিসেবে যুক্ত হন তারা।
এখন ইহসানের sitting, eye-contact, response এবং খাবারে উন্নতি—সবই ধীরে ধীরে দৃশ্যমান।
আজ ‘প্যারেন্ট স্টোরি ওয়াল’-এ থাকছে এই আশাবাদী পরিবারের গল্প।

GAT-PSM এ জয়েন করার আগে আপনার মানসিক অবস্থা কেমন ছিল?

খুব দুশ্চিন্তা, কনফিউজড, কোথা থেকে শুরু করব বুঝতাম না।

Clear plan. কী করতে হবে—এটা পরিষ্কার ছিল।

একটু অবাক হয়েছিলাম শুরুতে। কিন্তু পরে বুঝলাম—এটাই আসল শক্তি। অপ্রয়োজনীয় কিছু নেই।

হ্যাঁ। এখন জানি কীভাবে respond করব, কীভাবে motivate করব।

হ্যাঁ। কিন্তু এখন বুঝেছি—সঠিক direction পেলে অনেক কিছুই সম্ভব।

অবশ্যই। আগে মনে হত আমি একা—এখন মনে হয় আমি guided.

Calmness, better sleep.

না। সহজভাবে দেয়া ছিল। দৈনিক ১৫–২০ মিনিটেই হয়ে যায়।

অনেক। ইউটিউব, গুগল—সব জায়গা থেকে ভিন্ন ভিন্ন পরামর্শ পেতাম।

হ্যাঁ। কম কথা, বেশি কাজ।

Daily structure + brain stimulation + diet combo.

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভুল করলে সাথে সাথে ঠিক করে দিতেন।

আগে ১০% ছিল, এখন ৯০%। কারণ পথ পরিষ্কার।

হ্যাঁ। আগের সেই ভয়-হতাশা নেই।

আশাবাদী। প্রতিদিন ছোট ছোট পরিবর্তন দেখি।

কারণ না জেনে কাজ করলে রেজাল্ট আসে না।

হ্যাঁ। স্ট্রেস কমেছে, সবাই জানে কী করতে হবে।

হ্যাঁ—এখানে সত্যিকারের support আছে, শুধু তথ্য নয়।