গ্রেটলিফ জিরো হাউস

মেক জিরোস অল নেগেটিভিটি

গ্রেটলিফ জিরো হাউস কী?

গ্রেটলিফ জিরো হাউস মূলত আমার একটি ড্রিম প্রজেক্ট যার স্বপ্ন আমি অনেক দিন ধরেই লালন করে আসছি। এটা নিয়ে দিনের পর দিন ভেবেছি। প্রিডিজাইন তথা ইচ্ছেমত সাজিয়েছি, কাটা-ছেড়া করেছি।
উদ্দেশ্য হচ্ছে , এটি হবে এমন একটি হাউজ যেখানে বিশেষ করে স্পেশাল চাইল্ডের প্যারেন্টসগণ সপরিবারে অবকাশ যাপন করবেন। সেখানে তারা প্রকৃতির সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে যাবেন। সাঁতার কাটবেন, মাছ ধরবেন, চড়ুইবাতি খেলবেন, গল্প ও আড্ডা দিবেন, মেডিটেশন করবেন, অর্গানিক ফুডস খাবেন … ইত্যাদি।

সেখানে আধুনিক জীবনের সুযোগ সুবিধার পাশাপাশি থাকবে শৈশবে ফিরে যাবার আদি ও অকৃত্রিম ব্যবস্থাও। বিশেষকরে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা জীবনকে খুব কাছ থেকে দেখবে, অনুভব করবে। তাদের জন্য দৌড়াদৌড়ি, ছোটাছুটি করার ও বিভিন্ন এক্টিভিটিসের ব্যবস্থা থাকবে। অবকাশ যাপন কালীন সময়ে প্যারেন্টসরা যাতে নির্ভার থাকতে পারেন সেজন্যে বাচ্চাদের সমস্ত রেস্পন্সিবিলিটি থাকবে ‘জিরো হাউস’ টিম এর উপর।

জিরো হাউসের মূল কনসেপ্ট হল, আমরা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন বাচ্চাদের মা বাবারা বিশেষ কিছু নেগেটিভিটি ও ভুল লাইফস্টাইলের কারণে জীবনকে স্মোথলি সামনের দিকে এগিয়ে নিতে পারিনা। ফলে জীবন উপভোগ্য না হয়ে স্ট্রেস, ট্রমা, … ও স্ট্রাগলে জর্জরিত থাকে।

এ থেকে উত্তরণের জন্য এ নেগেটিভিটিগুলো রিমুভের ৭টি স্পেশাল মেডিটেশন সেশন ডিজাইন করেছি। পেরেন্টসরা অবকাশ যাপন কালীন সময়ে এ সেশনগুলো কমপ্লিট করে যাবার সময় সমস্ত টক্সিসিটি ও নেগিটিভিটি থেকে মনকে জিরো করে, একেবারে নির্মল-সজীব-ফ্রেস মনে বাড়ি ফিরবেন। তাই এ হাউসের নাম ‘জিরো হাউস’ …।

প্লেস নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ

জিরো হাউস’ কনসেপ্ট মোতাবেক একটি ঠিকঠাক প্লেস নির্বাচন বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়। গাজীপুরে বেশ কিছু জায়গা দেখা হয়। কারণ বাংলাদেশের অধিকাংশ রিসোর্ট এ জেলাতেই। তাছাড়া বড় পরিসরে জায়গা পেতে হলেও গাজীপুরই আদর্শ স্থান। কিন্তু ‘জিরো হাউস’তো শুধুমাত্র একটি রিসোর্ট নয়। চোখ বুজে জিরো হাউস’কে দেখলে চলন বিল বা সিলেটের হাওর অঞ্চলগুলির মতো প্লেসগুলোই বরং অধিকতর যুক্তিসংগত মনে হয়। কিন্তু আমি চাচ্ছিলাম প্লেসটি যেন মোটামুটিভাবে ঢাকার কাছাকাছি হয়।

শেষতক জিরো হাউস’এর কনসেপ্টকে ধারণ করতে পারে এমন ২টি স্থান পাওয়া যায় ত্রিশাল ও ত্রিশালের কাছাকাছি ফুলবাড়ীয়ায়। এবং যেহেতু আমার শৈশবের দিনগুলো ফুলবাড়ীয়াতে কেটেছে সেহেতু ফুলবাড়িয়ার একটি প্রসিদ্ধ বিল যা ‘ইচাইল বিল‘ নামে পরিচিত তার কূল ঘেঁষে যে স্থানটি পাওয়া যায় সেটিই জয়যুক্ত হয়। এর কাছাকাছি অবশ্য ছাইতানতলা নামক একটি স্থানে অন্য একটি ট্রেডিশনাল রিসোর্ট তৈরী হয়েছে বেশ কবছর আগে। তবে আমাদের প্লেসটি ছাইতানতলা হয়ে ‘ইচাইল বিল’ এর আরও বেশ ভেতরের দিকে।

তবে বিলের ভেতরের দিকে হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা মোটামোটি ভাল। যেকোন যানবাহন নিয়ে আমাদের প্রজেক্টে অনায়াসেই চলে যাওয়া যাবে ঢাকা থেকে ২ঘন্টার মধ্যেই। ফলে কোরোনার মহামারীর ঠিক পরপরেই এ জায়গাটি ক্রয় করা হয়। যদিও জায়গা বর্ধিতকরণের কাজ চলমান রয়েছে এখন পর্যন্ত।

কেন এ ডিজাইনটি পছন্দ হল?

জিরোর সাথে প্রাসঙ্গিক

প্রথমত জিরোকে গোলাকার কিছু বা বৃত্তের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। আমিও সেরকমটাই আশা করছিলাম। এ স্থাপত্যটি সে ক্ষেত্রে হুবুহু মিলে গেছে। দ্বিতীয়ত স্থাপনাটির ভেতরে বাহিরে প্রচুর জিরোর ছড়াছড়ি। যা প্যারেন্টসদেরকে জিরো নেতিবাচকতা মনে করিয়ে দেয়ার জন্য ভাল ভূমিকা পালন করবে।

মেডিটেশনের সাথেও প্রাসংগিক

আমাদের অধিকাংশ মেডিটেশনে বড় একটি কক্ষ কল্পনা করা হয়। যে কক্ষের সাথে প্রকৃতির একটি নিবিড় যোগাযোগ থাকবে। পশু পাখির কলতান ভেসে আসবে, বৃষ্টিকে অনুভব করা যাবে … ইত্যাদি। এ স্থাপনাটিতেও সেরকম ঢাউস সাইজের এবং অবশ্যই জিরো আকৃতির দরবার হল রয়েছে যাকে মেডিটেশনের সেই কাল্পনিক স্থান ভাবতে অসুবিধা হয় না। তাছাড়া আমাদের প্রজেক্টের অবস্থানগত কারণে এ হলের যে দিকটি খোলা থাকবে, অর্থাৎ পূর্ব দিকে বুক চিতিয়ে পরে থাকবে দিগন্ত বিস্তৃত পুরো ইচাইল বিল। সে পথ ধরে বহু দূর থেকে ভেসে আসা শীতল বাতাসের আলতো স্পর্শ মেডিটেশনকারীর চেতনাকে আরও গভীর থেকে গভীরতর দিকে নিয়ে যাবে।

বৃষ্টির সাথে মেডিটেশন

এ পূর্ব দিকেই এক পাশে থাকছে একটি সুইমিং পুল, বৃষ্টির সময় তো কথাই নেই এমনকি যে মৌসুমগুলোতে সাধারণত বৃষ্টি থাকেনা সে সময়েও কৃত্তিম ভাবে বৃষ্টির অনুভূতি নিয়ে আসার সুযোগ থাকছে। হলটিতে সরাসরি প্রকৃতির সাথে যুগসূত্র রয়েছে, যে ব্যাপারটা আরও বেশি করে পারফেকশন এনে দিয়েছে।

যা যা থাকছে জিরো হাউসে

কী কী থাকছে এ জিরো হাউস নামক রিসোর্টটিতে তা জানবার পূর্বে আমাদের জানা উচিত এ রিসোর্টটি মূলত কিসের জন্য এবং কাদের জন্য। এক কথায় বলতে গেলে এ রিসোর্টটি মূলত করা হচ্ছে গ্যাপ-এমপি’র ডিমান্ডকে কেন্দ্র করে। রিসোর্টে অবকাশ যাপন কোন মেন্ডেটরি বিষয় নয়। কিন্তু বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন বাচ্চাদের ইম্প্রুভমেন্টের জন্য প্যারেন্টসকে যে ফাইটটা করতে হয় তা স্বাভাবিক বাচ্চাদের পিতামাতার তুলনায় অনেকটাই আলাদা।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সোসাইটি তাদেরকে সহযোগিতার পরিবর্তে আরও অধিকতর ডিপ্রেশনের দিকে ঠেলে দেয়। অনেকেই আবার সহযোগিতার নামে করুণা বা উপদেশের নামে ক্রিটিসাইজ করে থাকেন। এরকম আরও অনেক কারণেই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের প্যারেন্টসরা এক সময় সমাজ আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব এড়িয়ে চলতে শুরু করেন। অভিমান থেকেই সাধারণত এরকম জীবন যাপন বেছে নেন তারা।

এটা কতটুকু ভাল বা মন্দ, অথবা এটা আদৌ যৌক্তিক সিদ্ধান্ত কিনা তা ভাবার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জীবন তো একটাই। এবং এটা সর্বদা বহমান। তাই আমি এমন একটি এড্রেস ক্রিয়েট করতে চেয়েছি যেখানে এসব বাবা-মা কমফোর্ট ফিল করবে। যার নামে নিজেদের স্বস্তির বোধ তৈরী হবে। যেখানে যাওয়া মানে নিজেদেরকে রিওয়ার্ড দেয়ার মতোই ফিল হবে। আর এসব ফুলফিলে আমার ভাবনায় যা যা আয়োজন থাকা উচিত তার সবকিছুই জিরো হাউস এ সন্নিবেশিত হচ্ছে ইনশাআল্লাহ।

শৈশব

শৈশব মানে স্বাধীনতা। শৈশব মানে দায়িত্বের বেড়াজাল থেকে মুক্তি। শৈশব মানে বাঁধ ভাঙ্গা উচ্ছাস। জিরো হাউস এমন একটি এনভয়েরমেন্ট ক্রিয়েট করছে যেখানে প্যারেন্টসগণ আক্ষরিক অর্থেই বাঁধ ভাঙ্গা উচ্ছাসে মেতে উঠতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। 

জীবনের গ্লানি, উদ্বেগ, ট্রেস, ট্রমা, হতাশা, ক্লান্তি… এসব মুছে ফেলে পুনরায় সজীব হয়ে উঠতে শৈশবকে ধরতে পারাটা খুবই জরুরি। আর তাই শৈশবকে ধরার জন্য এ প্রজেক্টে থাকছে নানান আয়োজন…।

প্লে গ্রাউন্ড

একটি ইনক্লোসিভ প্লে গ্রাউন্ড থাকছে।  থাকছে বাবা-মা দের জন্য। যেখানে বাচ্চারা দর্শকের ভূমিকায় থাকবে। আবার থাকছে ছোটদের জন্যও আলাদা গ্রাউন্ড আর সেখানে দর্শক থাকবেন প্যারেন্টসরা।  ফুটবল, বেডমিন্টন, ভলিবল, ক্রিকেট… । তাছাড়া ইনডোর গ্রাউন্ডে থাকছে ক্যারাম, লুডু, তাস, দাবা, ট্রেডমিল …। তেমনি ছোটদের উপযোগী- দৌড়, গোল্লাছুট, মুরগযুদ্ধ, ফুটবল। …। ইনডোরে দোলনা, লোকোচুরি, ট্রাম্পলিন … ও বিভিন্ন টুলস ও টয়। 

সুইমিং

ইনক্লোসিভ এ প্রজেক্টে সুইমিং পুল থাকবে না তাতো হবেনা। মূল স্থাপনার ভেতরেই থাকছে একটি বড়সড় সুইমিংপুল। ছোটদের জন্য দিনের আলোতে আর বড়োদের জন্য রাতের বেলায় উন্মুক্ত থাকবে।

সাংস্কৃতিক আড্ডা

সাংস্কৃতিক আড্ডা মানসিক রিফ্রেশমেন্টের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। এ আয়োজনে থাকবে গান, কবিতা, স্টোরী টেলিং, কৌতুক, অভিনয়, কুইজ, রেফেলড্র … ইত্যাদি। ছোটদের জন্য চিত্রাঙ্কন, ছড়া , নৃত্য, গজল, গান  … ইত্যাদি।

ধর্ম চর্চা

প্রেয়ার করার জন্য পুরুষ ও মহিলাদের জন্য থাকছে আলাদা আলাদা ব্যবস্থা। সেখানে ধর্ম চিন্তা ও চর্চা করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকছে। যেমন ইসলামিক লাইব্রেরি, সহি শুদ্ধভাবে ইসলাম পালন প্রশিক্ষণ (যা অবকাশ যাপন কালীন সময়ের মধ্যেই অর্থাৎ স্বল্প পরিসরে কমপ্লিট করা হবে। ) যদিও কোন ইভেন্ট বা কোন এক্টিভিটিসই কারো জন্যে বাধ্যতামূলক নয়।  সকলেই যার যার পছন্দমত বিষয়ে অংশ নিবেন বা সময় কাটাবেন। 

মাছ ধরা

থাকছে বড়সড় একটি পুকুর। সে পুকুরে কায়াকিং করার ব্যবস্থা। সাঁতার কাটা। বিভিন্ন উপায়ে মাছধরা। যেমন বড়শি, ফাঁদ বা জালের সাহায্যে। সে মাছ দিয়েই লাঞ্চের আয়োজন।  এ ছাড়াও পাশের যে বিশাল বিল রয়েছে, সেখানেও মাছ ধরার প্র্যাকটিস করা যেতে পারে। কারণ বিল বা উন্মুক্ত মাঠে মাছ ধরার ফিলিংস একেবারেই অন্যরকম। এটা আমাদের অনেকেরই শৈশবের স্মৃতির সাথে জড়িয়ে আছে। 

দিগন্ত বৃস্তিত খালি মাঠ , বিলের পানি, বটগাছ

জিরো হাউস প্রজেক্টের জন্য এ স্থানটি বেছে নেয়ার অন্যতম কারণ এটি।  জিরো হাউস এ আসার পর আপনি যে দিকেই তাকানো না কেন দেখবেন আদিগন্ত বিস্তৃত খালি মাঠ , ইচাইল বিলের বিস্তৃত জলরাশি, যেখানে ফুটে রয়েছে জাতীয় ফুল শাপলা। এবং বিলের ঠিক মাঝখানে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী প্রাচীন এক বটগাছ। যা দেখার জন্যে দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসে লোকজন। এ গাছটি নিয়ে অনেক মিথ প্রচলিত রয়েছে। এ গাছ দেখতে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হতে পারে অন্যরকম রোমাঞ্চকর। 

 …. এ ছাড়াও আরও অনেক অনেক কিছু থাকছে। কিছু কথা থাক না হয় গোপন!

অর্গানিক ফুড

এই অর্গানিক ফুডের কারণেই জিরো হাউস অনন্য বৈশিষ্ট্য পেতে বাধ্য। প্রাথমিক ভাবে এক হাজার গাছ লাগানো হচ্ছে। এর মধ্যে অর্ধেকই ফলের গাছ. ফলে সব মৌসুমেই অথিতিরা কম বেশি অর্গানিক ফল খেতে পারবে। এছাড়া বাউন্ডারির ভেতরেই অলমোস্ট সব ধরণের শাকসব্জি চাষ করা হবে। অথিতিরা মাঠ থেকে চয়েস করে নিজেদের মেন্যু নিজেরাই ঠিক করবে। মাছের কথা পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে।
দেশি মুরগির ডিম , মাংস, পুকুরে ভেসে বেড়ানো রাজহাঁস, এমনকি বাউন্ডারির ভেতরেই কচি ঘাস খাইয়ে পালন করা হবে দেশি জাতের গরু। ডিম-দুধ-মাংস এখান থেকেই সংকুলান হবে ইনশাআল্লাহ। অল আর অর্গানিক। নো কেমিক্যাল।

মেডিটেশন

গ্যাপ-এম যে স্ট্রাটেজীতে কাজ করে সেখানে একটি বড় ভূমিকা পালন করছে এ বিশেষ ডিজাইনে তৈরী কিছু পরীক্ষিত মেডিটেশন। মেডিটেশনকে আত্মস্থ করার একটি পারফেক্ট আয়োজন থাকছে এ জিরো হাউসে। এ মেডিটেশন আপনাকে দেবে সমস্ত নেতিবাচকতাকে জেরে ফেলে দিয়ে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করার প্রেরণা। আমার বিশ্বাস এ ট্যুর থেকে ফিরে গিয়ে আপনি পূর্ন শক্তি নিয়ে আবার সব কিছু শুরু করতে পারবেন।

অটিজম মানে সব কিছু শেষ হয়ে যাওয়া নয়। অটিজম একটি চ্যালেঞ্জ, একটি বাধা। এ বাধাকে পরিকল্পিত ভাবে মোকাবেলা করা হলে তা কোন বড়সড় সংকট নয়।  বরং আপনার বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন সন্তানটিই হয়ে উঠবে গড়পড়তা আরও পাঁচজন বাচ্চার তুলনায় অনেক বেশি সাকসেসফুল। শুধু ভেতরের সে সম্ভাবনাটুকুকে বের করে আনতে পারতে  হবে।  আমরা সম্মিলিতভাবে অটিজমকে জয় করতে চাই ইনশাআল্লাহ।  

কবে নাগাদ মেম্বারদের জন্য উন্মুক্ত হবে? ফ্রি অর পেইড?

মূল স্থাপনার কাজটি ২০২৬ এর নভেম্বরের মধ্যেই কমপ্লিট করার টার্গেট নেয়া হয়েছে। এবং ডিসেম্বরে গ্যাপ-এম মেম্বারদের জন্য জিরো হাউস উন্মুক্ত করে দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ। তবে জিরো হাউস এর পরিপূর্ণতা আসতে ২০৩০ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। বিশেষ করে গাছগুলোকে এ সময়টা দিতেই হবে…!!

আর ফ্রি কিংবা পেইড?  আমার বিশ্বাস আপনি নিজেও এমন অবাস্তব প্রত্যাশা করেন না যে জিরো হাউসে অবকাশ যাপনের প্যাকেজটা সম্পূর্ণ ফ্রিতে হোক।  গ্রেটলিফ গ্যাপ-এম মেম্বারদের জন্য একটি অপরচুনিটি ক্রিয়েট করছে। এখানে গ্রেটলিফের প্রত্যাশা একটাই- এ প্রজেক্টটি গ্যাপ-এম মেম্বারদের লাইফে উপকার বয়ে আনুক। এ প্রজেক্টে যে ব্যয় হচ্ছে তার মূল মুনাফা মূলত এটিই যে মেম্বারদের ফেসিলিটেড করা। 

শুধু এতটুকুই চাওয়া যেন এ প্রজেক্টের খরচ, এর নিজস্ব আয় দিয়েই সংকূলিত হতে পারে। কাজেই সেভাবেই নির্ধারিত হবে এখানে অবকাশ যাপনের খরচাপাতির হিসেব।  আমার বিশ্বাস আপনি নিজেও এখানে অবকাশ যাপনের প্যাকেজের যে প্রাইস নির্ধারিত হবে তাকে অযৌক্তিক আখ্যা দিতে পারবেন না।