মেন্টর ইফতি ভাই গ্যাট-পিএসএম এর ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে বলেছেন একটি ভিডিওর মাধ্যমে। কিন্তু সমস্যা হলো – আমি কখনো কোনদিন কোন ভিডিও তৈরী করিনি। এ কাজ আমাকে দিয়ে সম্ভব না। এক সময় টুকটাক লেখালেখি করতাম। তাই ভাবলাম, মেন্টরের নির্দেশ বলে কথা, দেখি কিছু একটা লেখা যায় কিনা। জানিনা কতটুকু কী পারব। প্যারেন্ট ওয়ালে ছাপানোর যোগ্য হয়ে উঠবে কি না। শুনেছি প্রয়াত প্রেসিডেন্ট হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ অন্যকে দিয়ে নিজের নামে কবিতা লিখাতেন। আমার সেরকম কেউ থাকলে ভাল হতো।
গ্রেটলিফ নামক প্রতিষ্ঠানটিকে আমি অনেক ভালবাসি। আমার নিজেরও আরিফ টিউটর হোম নামে ছোট একটি প্রতিষ্ঠান আছে। সে প্রতিষ্ঠানের কথা বাদ দিলে গ্রেটলিফ’ই আমার সবচেয়ে প্রিয় প্রতিষ্ঠান। আর এ প্রতিষ্ঠানটির পেছনের কারিগর ইফতি ভাই আমার এই এক জীবনে দেখা সত্যিকারের একজন ম্যাজিকেল ম্যান। আমার জীবনে যে কয়জন ব্যক্তি সবচেয়ে বেশি প্রভাব তৈরী করতে পেরেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন প্রিয় মেন্টর ইফতি ভাই। গত ১ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমার প্রতি দিনের প্রতিটি কর্মে তিনি উৎপ্রোতভাবে মিশে থাকেন। মনের অজান্তেই মিশে থাকেন। উনার আহবান উপেক্ষা করার সাধ্য আমার নেই। আমি তা করতেও চাই না।
সম্ভবত ডিসেম্বরের ২ তারিখের বিকেল ৪টার দিকে লাঞ্চ করছিলাম আমার অফিসে বসে। এমন সময় মেন্টরের নাম্বারটা ভেসে উঠলো মোবাইলে। কলিগকে বললাম- সর্বনাশ! মেন্টর যদি জানতে পারেন এত দেরীতে লাঞ্চ করছি তাইলে খবর আছে !
আপনাদের চুপি চুপি একটা কথা বলি, ৪টা /৫টার আগে খুব কম দিনই লাঞ্চ করার সুযোগ হয় আমার। শুধু শুক্র শনিবারের কথা একটু আলাদা। ওইসময় আমার অফ ডে কিনা তাই।
না, মেন্টর সেরকম কিছু জিজ্ঞেস করে নাই। তিনি বললেন, ৮ তারিখের কথা স্মরণ আছে তো?
বললাম জি মেন্টর। তিনি বললেন, এবার কিছু সারপ্রাইস আছে। প্রোগ্রাম শুরু হবে গত বারের তুলনায় এক ঘন্টা আগে। কাজেই জাস্ট ২টায় চলে আসবেন। এবার কিন্তু শাহরিয়ারের মা’কেও নিয়ে আসবেন।
সম্ভবত ডিসেম্বরের ২ তারিখের বিকেল ৪টার দিকে লাঞ্চ করছিলাম আমার অফিসে বসে। এমন সময় মেন্টরের নাম্বারটা ভেসে উঠলো মোবাইলে। কলিগকে বললাম- সর্বনাশ! মেন্টর যদি জানতে পারেন এত দেরীতে লাঞ্চ করছি তাইলে খবর আছে !
আপনাদের চুপি চুপি একটা কথা বলি, ৪টা /৫টার আগে খুব কম দিনই লাঞ্চ করার সুযোগ হয় আমার। শুধু শুক্র শনিবারের কথা একটু আলাদা। ওইসময় আমার অফ ডে কিনা তাই।
না, মেন্টর সেরকম কিছু জিজ্ঞেস করে নাই। তিনি বললেন, ৮ তারিখের কথা স্মরণ আছে তো?
বললাম জি মেন্টর। তিনি বললেন, এবার কিছু সারপ্রাইস আছে। প্রোগ্রাম শুরু হবে গত বারের তুলনায় এক ঘন্টা আগে। কাজেই জাস্ট ২টায় চলে আসবেন। এবার কিন্তু শাহরিয়ারের মা’কেও নিয়ে আসবেন।
আমি দুটোর দিকেই হাজির হলাম গ্রেটলিফ অফিসে। সাধারণত আমি সব সময় ‘জাস্ট টাইম, নো কমপ্লেইন, দলের লোক। কিন্তু দুর্ভাগ্য বসত আমি গণিতের শিক্ষক হওয়ায় এবং সেদিন বাচ্চাদের প্র্যাকটিকেল পরীক্ষা ছিল বিধায় জাস্ট টাইমে উপস্থিত না হতে পারার একটি ঝুঁকি তৈরী হয়েছিল। কিন্তু সৌভাগ্যবশত একটু আগে শুরু করে ১টার মধ্যেই তা শেষ করতে পেরেছিলাম। ওহ বলতে ভুলে গিয়েছিলাম , আমি কোচিং বিজনেসের পাশাপাশি , একটি জবও করি।
অফিসে পৌঁছার পর জানতে পারলাম, আমন্ত্রিত দু-তিন জন প্যারেন্ট তখনও এসে পৌঁছাতে পারেনি। কিন্তু এটাই উপস্থিত প্যারেন্টদের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধা হয়ে ধরা দিল। যেহেতু তাদের জন্য অপেক্ষা না করে কোন উপায় ছিল না , সে সুযোগে বেশ লম্বা একটা সময়ের জন্য ইফতি ভাইকে পেয়ে গেলাম আমরা। প্রায় দু ঘন্টার একটি সেশনে আমরা এমন অনেক কিছু জানলাম শিখলাম যা ইতি পূর্বে কোথাও বলেন নি ইফতি ভাই।
তিনি বলেন গ্যাট-পিএসএম হলো নিউরো ড্রাইভার্স শিশুদের নিয়ে কাজ করা পৃথিবীর সবচেয়ে স্মার্টেস্ট প্রোগ্রাম। আর নিঃসন্দেহে গ্যাট-পিএসএম এর প্যারেন্টরাই হলো পৃথিবীর সেরা প্যারেন্ট। আর এ সময় উপস্থিত প্যারেন্টরা সকলেই হা সূচক সম্মতি জ্ঞাপন করেন।
মেন্টর জানতে চান- আপনারা কি বলতে পারবেন গ্যাট-পিএসএম ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে মূল পার্থক্যটা কোথায়?
এ সময় প্যারেন্টরা সকলেই চুপ করে থাকলে তিনি একে একে সকলকেই বাধ্যতামূলক উত্তর আহবান করেন। ফলে প্যারেন্টরা অনেকটা বাধ্য হয়েই বিভিন্ন রকমের উত্তর দেন। কেউ বলেন, গ্যাট-পিএসএম এ কোন প্রকার মেডিসিন ও প্রচলিত কোন থেরাপি সাজেস্ট করা হয়না। এ দিকটাই এ প্রোগ্রাম কে ইউনিক করে তুলেছে। কেউ বলেন – সব জায়গায় শুধু বাচ্চাদেরকে ফোকাস করে কাজ করা হয়, শুধু এখানেই বাচ্চাদের পাশাপাশি প্যারেন্টদেরও ফোকাস করা হয়। আবার কেউ বলেন – এটা অনলাইন বেইজড প্রোগ্রাম হওয়ায়, ঘরে বসেই সব ধরণের সাপোর্ট পাওয়া যায়।
কেউবা বলেন- গ্রেটলিফ বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে কাজ করা একমাত্র প্রতিষ্ঠান, যেখানে বাচ্চাদের ইমপ্রুভমেন্ট নিয়ে কাজ করবার পাশাপাশি প্যারেন্টদের খুব সহজেই আয় করবার সুযোগও রাখা হয়েছে।
মেন্টর এ ধরণের একেক জনের রিপ্লাই শুনছিলেন, আর নেক্সট বলে বলে পরের ব্যক্তির দিকে যাচ্ছিলেন। আমরা বুঝতে পারছিলাম, মেন্টর হয়ত উনার কাঙ্খিত রিপ্লাই এখনো পান নি।
এক পর্যায়ে একজন প্যারেন্ট রিপ্লাই দেন- গ্যাট-পিএসএম এ সকলেই সাকসেস পান। এখানে কারো ব্যর্থ হবার কোন সুযোগই নেই, এটাই অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে গ্যাট-পিএসএম কে আলাদা করেছে।
মেন্টর এবার থামলেন। – ভাল বলেছেন। এরপর তিনি বলেন- গ্যাট-পিএসএম কে যদি একটি সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধরে নেই, তাহলে আপনারা সমস্ত প্যারেন্টরা হলেন তার সেরা স্টুডেন্টস। কারণ সেরা প্রতিষ্ঠানের স্টুডেন্টরাও সেরাই হয়।
এরপর তিনি সকলকে লক্ষ্য করে বলেন, -আর আপনারা বিশেষ করে আজকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমন্ত্রিত প্যারেন্টরা হলেন সেরাদের সেরা। কাজেই গ্যাট-পিএসএম এর সেরা স্টুডেন্টদের কাছে জানতে চাচ্ছি, এখানে সবাই সফল হয় কেন? কী সেই সিক্রেট, যার কারণে নিশ্চিতভাবেই প্রতিটি গ্রেটলিফ বেবির ইমপ্রুভমেন্ট হয়?
এ সময়ও প্যারেন্টরা যার যার মতামত দেন। কেউ বলেন- ইন্ডিভিজ্যুয়াল প্রপার এসেসমেন্ট ও সে অনুযায়ী যথাযথ গোল সেটাপ, ওয়ার্কিং প্ল্যান ইত্যাদি। কেউ বলেন- ধারাবাহিক মনিটরিং সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করেন। আবার কেউ বা বলেন- ডিসিপ্লিন ও রুটিনই হলো সফলতার পেছনের মূল নিয়ামক। তাছাড়া কেউ গাট হেলথ, ডায়েট প্ল্যান, ডিটক্সিফাই, হলিস্টিক লাইফস্টাইল, ইতিবাচক মানসিকতা, এনজাইটি -ট্রেস-টেনশন ফ্রি জীবন যাপন ইত্যাদির কথাও বলেন।
মেন্টর সকলের কথাই মনোযোগ দিয়ে শুনেন। এরপর তিনি গ্যাট-পিএসএম প্রোগ্রাম কেন এরকম হলো, প্রতিটি স্টেপ এর পেছনের বৈজ্ঞানিক কারণ যুক্তি সহকারে তুলে ধরেন। আমরা সকলেই মন্ত্র মুগ্ধের মতো উনার কথা শুনছিলাম। আলোচনায় ডোপামিন সহ অন্যান্য হরমোন থেকে শুরু করে মস্তিষ্কের ফাংশন, পজেটিভ এটিচুড, আমাদের সেকাল বনাম একাল সহ কিছুই বাদ যায়নি। আমি বলব প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যতগুলো সেগমেন্ট ছিল তার মধ্যে এ সেশনটিই ছিল সবচেয়ে ইম্পুরটেন্ট।
এক পর্যায়ে শুধু একজন ব্যতীত অন্যান্য আমন্ত্রিত পারেন্টরাও উপস্থিত হলে কেক কাটার মধ্যে দিয়ে শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। উপস্থিত সকলকে নিয়ে কেক কাটেন স্পেশাল শিশুদের স্পেশাল nutritionist ও গ্রেটলিফ পরিচালক মিসেস আসমা আবীর।
এরপর শুরু হয় গ্রেটলিফ বেবিদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। যথারীতি এবারও অন্যান্য পুরুষ সদস্যের সাথে আমাকে বিচারকের দায়িত্বে রাখা হয়। স্পেশাল বেবিরা যে সৃষ্টিশীল হয় তা আবারও প্রমাণিত হয় স্বল্প সময়ে তাদের চিত্রকর্ম দেখে।
এরপর শুরু হয় এর পরের গেম Puzzle Challenge, ও Neurodevelopmental Expression Segment- Mini Talent Show. বাচ্চারা একে একে তাদের টেলেন্টের পরিচয় তুলে ধরে। গ্রেটলিফ বেবি বলে কথা। মেন্টর প্রায়ই একটি কথা বলেন – দেয়ার ইজ নো ডিজেবিলিটি। দে হেভ ডিফারেন্ট এবিলিটি। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি ব্যক্তিই সম্ভাবনাময়।
বাচ্চাদের গেম শেষ হলে শুরু হয় প্যারেন্টদের প্রোগ্রাম -Parent Engagement & Mental Wellness Segment
এই পর্বে প্রথমেই অনুষ্ঠিত হয় Parent Statue Game।
এক্ষেত্রে- খেলোয়াড় সংখ্যার তুলনায় একটি কম চেয়ার বৃত্তাকারে সাজানো হয়। গান চলাকালীন সকল প্যারেন্ট চেয়ারগুলোর চারপাশে ঘুরতে থাকেন এবং গান হঠাৎ থেমে গেলে সবাই দ্রুত একটি চেয়ারে বসার চেষ্টা করেন। এ গেমটি খুবই আনন্দদায়ক ছিল। এ আনন্দ গ্যাট-পিএসএম এর অন্যতম বিউটি। প্লেজারকে প্রতিদিনের অনুসঙ্গ করে তুলা।
এরপর শুরু হয় সবচেয়ে প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন সেশন—Parent Magic Box Game।
এ গেমে প্রতিটি প্যারেন্ট একটি বাক্স থেকে একটি চিরকুট তুলে নেন এবং সেখানে লেখা নির্দেশনা অনুযায়ী অভিনয় বা কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত, হাস্যরসাত্মক।
কারণ গ্যাট-পিএসএম বলে, হাসির মাধ্যমে Vagus Nerve Activation হয় , যা স্ট্রেস কমাতে ও মাইন্ড–বডি ব্যালান্সে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এবং পরিবারে একটি Positive Emotional Climate তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
তাছাড়া বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুর উন্নয়নে প্যারেন্টদের মানসিক অবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শিশুরা মূলত— প্যারেন্টের Emotional State ও Nervous System Pattern অনুকরণ করে। ঘরের পরিবেশ থেকেই মূলত শিশুরা Sense of Safety ও Emotional Regulation শেখে। ফলে হাসি কে জীবনের পরতে পরতে ছড়িয়ে দেয়া উচিত।
যাহোক, গেম দুটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানকে খুবই আনন্দময় করে তুলে। আর আগেই বলেছি – প্রতিটি গেমেই এ অধম বিচারকদের টিমে ছিল।
অনুষ্ঠানের ফাকে ফাঁকে আনলিমিটেড গ্রীন টি ও ইনস্টান্ট কফির ব্যবস্থা থাকলেও এ পর্যায়ে এসে ক্ষুধায় অনেকের পেট মোবারক নালিশ দেয়া শুরু করেছিল। ফলে সিদ্ধান্ত হয় ভুঁড়ি ভোজের কাজটা সেরেই নেয়া যাক। ছিল বিফ ও চিকেন বিরিয়ানির পেকেট। তবে যে কেউ যত প্যাকেট ইচ্ছা মারতে পারেন নো কমপ্লেইন।
আমরা পুরুষ সদস্যেরা আলাদা রুমে বসেছিলাম। আমাদের মধ্যে একজনের আবদারে প্লেট সরবরাহ করা হলো চুপি চুপি। কিন্তু পরবর্তীতে ফিমেল সদস্যরা দেখে ফেলায় আমাদেরকে এক্সট্রা খাতির করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ দাখিল হলো মেন্টর বরাবর। মেন্টর বললেন- ছেড়ে দেন, গ্যাট-পিএসএম এ তো আমরা পুরুষরা বরাবরই সংখ্যালগু। সুতরাং আমাদের করুণা করতে পারেন। ফলে আমাদের নিঃশর্ত ক্ষমা করা হলো বাড়তি সুবিধা নেয়ার মামলা থেকে।
ভোজন কর্ম শেষে শুরু হলো আমাদের দাবি দাওয়ার পালা। বিভিন্ন জন বিভিন্ন দাবি দাওয়া পেশ করছিলেন মেন্টর বরাবর। এর মধ্যে সিলভার ও গোল্ডের পাশাপাশি আরেকটু চিপ প্রাইসের মেম্বারশীপের বিষয়টা সমস্বরে পেশ হলো। মেন্টর বললেন, আমরা ইতিপূর্বেই জেনারেল মেম্বারশিপের একটি অপশন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যা সিলভারের হাফ এমাউন্টে। সকলেই তালি দিয়ে স্বাগত জানালেন। এ ছাড়াও আরো যেসব দাবি পাশ হলো তৎক্ষণাৎ সেসব হচ্ছে, এফিলিয়েট কমিশন বৃদ্ধি করা , দরিদ্র ফ্যামেলির জন্য গ্রেটলিফ ফাউন্ডেশন, বেস্ট পারফর্মিং রিওয়ার্ড সার্টিফিকেট এর পাশাপাশি ক্রেস্ট প্রদান, সেরা এফিলিয়েটসদের জন্য রিওয়ার্ড, আগামী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কক্সবাজারে উৎযাপন ইত্যাদি।
দাবি দাওয়া শেষে শুরু হলো ২০২৫ এর সেরাদের সেরা প্যারেন্টদের রিওয়ার্ড প্রদান সেগমেন্ট। না, উপস্থিত প্যারেন্টদের মধ্যে একমাত্র আমিই ছিলাম গোল্ড মেম্বারশীপের প্রতিনিধি। মেন্টর চাইলে সংখ্যালগু হিসেবেও কোন একটা ক্যাটাগরিতে অধমকে বিবেচনায় রাখতে পারতেন। কিন্তু তিনি এসব আমলে নিলেন না, ফলে পাঁচ পাঁচটি ক্যাটাগরীর সব কয়টাই সিলভার মেম্বারের পকেটস্থ করলো। এবার যারা রিওয়ার্ড পেলেন –
অর্থাৎ (সেরা মা ২০২৫)
এক্ষেত্রে, যে মা সন্তানের নিউরোডেভেলোপমেন্টাল জার্নিতে ইমোশনাল রেগুলেশন, কনসিস্টেন্ট প্যারেন্টাল রেসপন্স, গ্রোথ মাইন্ডসেট এবং ব্রেন-ফ্রেন্ডলি হোম এনভায়রনমেন্ট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাকে সম্মানিত করা হয়েছে।
এবার সেরা মা নির্বাচিত হয়েছেন আমাদের সিলভার মেম্বার গ্রেটলিফ বেবি সারিকার মা। স্বীকৃতিস্বরুপ উনাকে Certificate of Recognition ও গিফট বক্স প্রদান করেন গ্রেটলিফ পরিচালক মিসেস আসমা আবীর।
অর্থাৎ দ্রুত নিউরোডেভেলোপমেন্টাল ট্রান্সফরমেশন অর্জনকারী শিশু।
যে শিশু স্বল্প সময়ের মধ্যে বিহেভিয়াল রেগুলেশন, কমিউনিকেশন রেসপন্স, সেনসরি প্রসেসিং ও কগনিটিভ এনগেজমেন্টে উল্লেখযোগ্য ও পরিমাপযোগ্য উন্নতি প্রদর্শন করেছে।
এবার এ সম্মাননা প্রদান করা হয় গ্রেটলিফ বেবি রাফিকে। মা সিলভার মেম্বার সাবিনা আক্তারের পাশে দাঁড়িয়ে আমাদের রাফি সার্টিফিকেট ও পুরুষ্কার গ্রহণ করে গ্রেটলিফ পরিচালক মিসেস আসমা আবীর এর নিকট থেকে।
অর্থাৎ সেরা পরিবার ২০২৫
এক্ষেত্রে যে পরিবার সমন্বিত প্যারেন্টিং, স্ট্রেস-রিডিউসড পারিবারিক পরিবেশ এবং গ্যাট–পিএসএম ভিত্তিক হোলিস্টিক লাইফস্টাইল ইমপ্লিমেন্টেশন এর মাধ্যমে সন্তানের উন্নয়নে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখে এমন পরিবারকে বেছে নেয়া হয়।
আর এবার সেরা পরিবার ২০২৫ নির্বাচিত করা হয়েছে সিলভার মেম্বার মান্নান ভাইয়ের পরিবারকে। গ্যাট–পিএসএম এর এ পরিবারটি নিঃসন্দেহে একটি মডেল পরিবার। স্বীকৃতিস্বরুপ এ পরিবারটিকে Certificate of Recognition ও গিফট বক্স প্রদান করেন গ্রেটলিফ পরিচালক মিসেস আসমা আবীর।
অর্থাৎ সেরা পরিবার ২০২৫
এক্ষেত্রে যে পরিবার সমন্বিত প্যারেন্টিং, স্ট্রেস-রিডিউসড পারিবারিক পরিবেশ এবং গ্যাট–পিএসএম ভিত্তিক হোলিস্টিক লাইফস্টাইল ইমপ্লিমেন্টেশন এর মাধ্যমে সন্তানের উন্নয়নে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখে এমন পরিবারকে বেছে নেয়া হয়।
আর এবার সেরা পরিবার ২০২৫ নির্বাচিত করা হয়েছে সিলভার মেম্বার মান্নান ভাইয়ের পরিবারকে। গ্যাট–পিএসএম এর এ পরিবারটি নিঃসন্দেহে একটি মডেল পরিবার। স্বীকৃতিস্বরুপ এ পরিবারটিকে Certificate of Recognition ও গিফট বক্স প্রদান করেন গ্রেটলিফ পরিচালক মিসেস আসমা আবীর।
অর্থাৎ যে শিশুর অগ্রগতি হয়তো দ্রুত নয়, তবে ছিল স্থিতিশীল, ধারাবাহিক ও ইতিবাচক, যা দীর্ঘমেয়াদি নিউরোপ্লাস্টিসিটি, ব্রেন ম্যাচুরেশন এবং ফাংশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। এবার এ স্বীকৃতি পেয়েছে আমাদের গ্রেটলিফ বেবি মোহাম্মদ সামি। মা সিলভার মেম্বার আমেনা খাতুন এর পাশে দাঁড়িয়ে আমাদের সামি Certificate of Recognition ও গিফট বক্স গ্রহণ করে গ্রেটলিফ পরিচালক মিসেস আসমা আবীর এর নিকট থেকে।
সবশেষে শুরু হলো গেমে বিজয়ীদের পুরুস্কার বিতরণী পর্ব। বিজয়ীদের নাম ঘোষণার দায়িত্ব পড়লো এ অধমের ঘাড়ে। পুরস্কার বিতরণ করলেন বিচারক টিম ও গ্রেটলিফ পরিচালক মিসেস আসমা আবীর। এবং এর মধ্যে দিয়েই অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটল।
জানিনা, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর দিনটাকে আমার আনাড়ি হাতের লেখায় ঠিক কতোটা ফুটিয়ে তুলতে পারলাম। লেখায় বিভিন্ন ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার বিনীত অনুরোধ রইল।
আরিফুল ইসলাম (গোল্ড মেম্বার)
Disclaimer: GAT-PSM is a holistic parenting and lifestyle development program — not a medical or therapeutic service.
© 2025 greatleafbd.com all rights reserved